English Version

অভিভাবকের জন্য নির্দেশিকা

সম্মানিত অভিভাবক/অভিভাবিকাদের প্রতি পরামর্শঃ

 

  • শ্রেণিকক্ষে “দৈনিক পাঠের বিবরণী” ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

  • প্রকৃত অভিভাবক/অভিভাবিকা “দৈনিক পাঠের বিবরণী” বইয়ে নিজের পরিচিত ও নমুনা স্বাক্ষর দেবেন।

  • প্রতিদিন আপনার ছেলে/পোষ্য বিদ্যালয় থেকে বাসার ফেরার পর সেদিন শ্রেণিতে শিক্ষক কোন পিরিয়ডে কি বিষয়ে পড়িয়েছেন তা দেখে ছেলের উপস্থিতি ও পাঠ্যসমূহ সম্বন্ধে নিশ্চিত হউন এবং ঐ দিনের কার্যক্রম বিবরণি পৃষ্ঠার নিচে আপনার জন্য সংরক্ষিত স্থানে মন্তব্যসহ স্বাক্ষর করুন।

  • আপনার ছেলে/পোষ্য ঠিক সময়ে স্কুল ড্রেস পরে স্কুলে আসে কিনা এবং ছুটির পরে বাসায় ঠিক সময়ে ফেরে কিনা এবং কতক্ষণ নিয়মিত লেখাপড়া করে তা লক্ষ্য রাখুন।

  • সাময়িক পরীক্ষাগুলোতে আপনার ছেলে/পোষ্য নিয়মিত উপস্থিত থাকছে কিনা সে দিকে খেয়াল রাখুন এবং ফলাফল জানতে চেষ্টা ও স্বাক্ষর করুন। মোট কার্যদিনের ৯৫% উপস্থিত না থাকলে যৌক্তিক কারণ দর্শানো ছাড়া কোণ ছাত্রকে পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দেয়া যাবে না।

  • সাময়িক পরীক্ষার প্রত্যেক মার্ক ক্যাটাগরি (রচনামূলক, নৈর্ব্যক্তিক, CA ইত্যাদি) বার্ষিক পরীক্ষার নম্বরের সমন্বয়ে চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারিত হবে।

  • ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত ৮০% লিখিত পরীক্ষা এবং ২০% ধারাবাহিক মূল্যায়ন। পরীক্ষার উভয় অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।

  • প্রথম থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত ১০০ নম্বরের সাময়িক পরীক্ষাকে ৯০ নম্বরে রুপান্তর (Convert) করা হবে এবং শ্রেণি পরীক্ষা ১০ নম্বর।

  • দৈনিক পাঠের বিবরণী বই এর “ছাত্রদের আচরণ-বিধি” অভিভাবক অবশ্যই পাঠ করবেন এবং সে অনুসারে তাকে চলতে নির্দেশ ও সাহায্য করবেন।

  • ছাত্রদের লেখাপড়া ও চারিত্রিক অবস্থা সম্পর্কে জানার জন্য প্রকৃত অভিভাবক অবশ্যই মাঝে মাঝে সহঃপ্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করবেন।

  • ছাত্র সম্পর্কে যে কোন বিষয়ে আলোচনার জন্য পত্র পাওয়ার পর নির্ধারিত দিনে ও সময়ে অভিভাবক শ্রেণি শিক্ষক, সহকারী প্রধানশিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

  • আপনার ছেলে/পোষ্য স্কুলে অনুপস্থিত থাকলে অনুপস্থিতির তারিখ ও কারণ উল্লেখ করে আপনাকেই দরখাস্ত করতে হবে। মনে রাখবেন পর পর তিন দিন বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকলে দরখাস্ত সহ নিজে উপস্থিত হতে হবে।

  • কোন ছাত্র অসুস্থতার কারণে স্কুলে আসতে না পারলে অতি-সত্বর অভিভাবক নিজে একটি আবেদনপত্র চিকিৎসক সার্টিফিকেটসহ প্রধান শিক্ষকের কাছে জমা দিবেন।

  • কোন ছাত্র পরীক্ষায় ফেল করলে অন্য শ্রেণিতে তার ‘প্রমোশনের’ ব্যাপারে কোন প্রকার তদবির করা চলবে না।

  • যে সব অভিভাবক নিজে স্কুলে আনা-নেওয়া করেন, তারা তাদের ছেলে ঠিক সময়ে স্কুলের গেটে পৌছে দেবেন এবং ছুটির পরে ঠিক সময়ে নিয়ে যাবেন, বিদ্যালয় আঙিনায় অবস্থান করবেন না। এতে পরিবেশের ভারসাম্য ও ছাত্রের মনোযোগ নষ্ট হয়।

  • আপনার ছেলে/পোষ্যের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন, খারাপ পরিবেশ ও অসৎ সঙ্গ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন।

  • মনে রাখতে হবে অভিভাবক ও শিক্ষক/শিক্ষিকার সম্মিলিত প্রয়াসের ফলে ছাত্রের পাঠোন্নতি ও সুন্দর চরিত্র গঠন সম্ভব।

  • শিক্ষক শিক্ষার্থীর মানস-পিতা এ কথা স্মরণে রেখে স্বীয় সন্তানের পাঠোন্নতি ও চরিত্র গঠনের ব্যাপারে শিক্ষকদের স্বতঃস্ফুর্ত সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন- এটাই একান্ত কাম্য।

  • সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী স্কুল পরিচালিত হয়। এতে আপনার সহযোগিতা কাম্য।

  • সাময়িক পরীক্ষার পর নির্ধারিত অভিভাবক দিবসে শ্রেণিকক্ষে আপনার ছেলের উত্তরপত্র দেখতে পারবেন এবং প্রয়োজনে শিক্ষক/শিক্ষিকাগণের সাথে মত বিনিময় করতে পারবেন। শৃঙ্খলা ও রেকর্ড যথাযথ সংরক্ষণের স্বার্থে উত্তরপত্র বাড়িতে দেওয়া হবে না। কেননা অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে উত্তরপত্র সংরক্ষণ করতে শ্রেণি কার্যক্রম ব্যাঘাত ঘটে।